পলিটেকনিক ট্রান্সফার পদ্ধতিঃ একজন শিক্ষার্থী ট্রান্সফার পদ্ধতিতে এক পলিটেকনিক থেকে অন্য এক পলিটেকনিকে যেতে পারে। এক্ষেত্রে কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। যেমনঃ ১। ডিপার্টমেন্ট পরিবর্তন করতে পারবে না। ২। সেমিস্টার পরিবর্তন করতে পারবে না। ৩। সেমিস্টার ফাইনালের ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে ট্রান্সফারের জন্য আবেদন করতে হবে। ৪। বর্তমানে অধ্যয়নরত প্রতিষ্ঠান বরাবর একটি দরখাস্ত জমা দিতে হবে, দরখাস্তে অধ্যক্ষ এবং বিভাগীয় প্রধানের স্বাক্ষর নিতে হবে। ৫। যে প্রতিষ্ঠানে ট্রান্সফার হতে চান, সে প্রতিষ্ঠানে উক্ত দরখাস্তটিকে রেজিস্টার শাখায় ২ কপি, গত সেমিস্টারের অ্যাডমিট কার্ড, এস. এস. সি পরীক্ষার মূল মার্কশিটের ফটোকপি ও ৩ কপি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি জমা দিতে হবে। ৬। তারপর কিছুদিনের মধ্যে কারিগরী বোর্ড থেকে নোটিশ দেওয়া হবে, সেখানে চেক করতে হবে আপনার নাম আছে কি না? ৭। বর্তমান প্রতিষ্ঠান থেকে মূল মার্কশিট এবং ছাড়পত্র নিয়ে ট্রান্সফারকৃত প্রতিষ্ঠানের রেজিস্টার শাখায় তা জমা দিতে হবে। (যদি নাম থাকে) ৮। ট্রান্সফার ফি ৪০০ (কমবেশি হতে পারে) এবং ভর্তি ফি ১৫০০ (কমবেশি হতে পারে) টাকা অনলাইনের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। [উল্লে...
সরকারি পলিটেকনিকে ৬ মাসের সেমিস্টারে শুধু সেমিস্টার ফি এবং ফরম ফিলআপ ফি হিসেবে ১৮০০-২৬০০ হতে পারে। এইটা হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের ফি, আর কোন প্রাতিষ্ঠানিক খরচ নাই।প্রতিষ্ঠানের হোস্টেল ভাড়া বাবদ খরচ নেই, শুধু খাওয়া খরচ বাবদ ১৫০০-২০০০ টাকা দিতে হয়ে।এছাড়া অন্যান্য আবাসিক হল বা মেসে থাকলে খরচ একেক রকম হয়ে থাকে। মেসের পরিবেশ এবং অবস্থান অনুযায়ী হয়ে থাকে। সাধারণত বিভাগীয় শহরগুলো ব্যতীত অন্যান্য শহরের মেসে থাকলে মেসের খরচ থাকা খাওয়া সব মিলিয়ে ৩২০০-৩৫০০ এর মধ্যে হয়ে যায়।
Comments